fbpx

President of Bangladesh Students League at Mymensingh District Unit.

আঁটসাঁটে …“রকিব”…

                                              আল্লাহ সর্বশক্তিমান
*শিক্ষা*শান্তি*প্রগতি                                                            জয় বাংলা  জয় বঙ্গবন্ধু
                                                  সংক্ষিপ্ত বৃত্তান্ত
মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব
আপাদমস্তক একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকেই সর্বত্রই তিনি আওয়ামী পরিমন্ডল ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন। তার পরিবারের একটি বৃহৎ অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে লড়াই, সংগ্রাম, আন্দোলনের রাজপথে;যুদ্ধকালীন সময়ে সম্মুখ সমরে ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ময়মনসিংহ জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পুর্নগঠনে তারপরিবারের অবদান অনন্য।
কার্যত মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব জন্মসূত্রেই মুজিব আদর্শ বিশ্বাস করেই,অন্তরে পুষে নিরন্তর লালন করে ও এককথায় তিনি আওয়ামী অনুভূতি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
আদর্শ ও বিশ্বাসঃ
০১. মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব এঁর শৈশব ও কৈশোরের উচ্ছাস,আজন্ম লালিত স্বপ্ন, হৃদয়ের প্রচণ্ড অহংকার, প্রিয় প্রতিষ্ঠান বাংলা ও বাঙ্গালীর আঁতুর ঘর থেকে শুরু করে প্রতিটি লড়াই, সংগ্রাম ও আন্দোলনে শিক্ষা শান্তি প্রগতির অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ/ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।
০২. বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চর্চা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন ব্যতিরেকে কখনোই একজন ভালো কর্মী হ‌ওয়া যায় না।
০৩. বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা ব্যতীত ১৬ কোটি বাঙালির গর্বের বাংলাদেশ কারো নেতৃত্বে নিরাপদ নয়।
.একটি আদর্শিক প্রগতিশীল ও সুসংগঠিত ছাত্র সংগঠন একটি দলের মূলভিত্তি রূপ কাজ করে।
. বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক কর্মী ভবিষ্যত বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে এবং নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রকৃত দেশপ্রেমিক ও আদর্শবান নেতৃত্ব সৃষ্টির আতুঁর সংগঠন।
. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে ওঠে আশা প্রতিটি কর্মী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার একেকজন দায়িত্বশীল ভ্যানগার্ড এবং তারাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে শেখ হাসিনার প্রধান হাতিয়ার।
০৮. আমি বিশ্বাস করি ও মানি সারা বাংলার সকলের অনবদ্ধ অনুভূতি নামই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

আমার উপর অর্পিত মহান সাংগঠনিক দায়িত্বসমূহঃ

 

বর্তমান সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ।(২০১৬)

প্রধান উপদেষ্টা, COVID-19 স্বেচ্ছাসেবক দল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা।(২০২০)

সাবেক সাধারণ-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা।(২০১৪)

সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ।(২০১৪)

শ্রেষ্ঠ সংগঠক, পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ২০১৪ সাল।

সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,ময়মনসিংহ জেলা শাখা।(২০১২)।

সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, ময়মনসিংহ শহর শাখা।

আহবায়ক, সর্বদলীয় ছাত্র-সংগ্রাম ঐক্য পারিষদ, আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ।

আহবায়ক, গনজাগরন ঐক্য পরিষদ, আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ।

প্রচার সম্পাদক, মুক্তিযাদ্ধা ছাত্র সংসদ, আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ।

সভাপতি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা (আ সো ক), ময়মনসিংহ জেলা শাখা।

সাবেক প্রচার সম্পাদক, সর্বদলীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ, আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ ।

কাউন্সিলর, ময়মনসিংহ জেলা ক্রিড়া সংস্থা।

উপদেষ্টা, শেখ কামাল ক্রিকেট একাডেমি, ময়মনসিংহ।

উপদেষ্টা, আওয়ামী মটর চালকলীগ, ময়মনসিংহ মহানগর শাখা।

সম্পাদক, জনতার প্রতিদিন- অনলাইন নিউজ পোর্টাল।

============================================================
আমার রাজনৈতিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
০১. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক দিক নির্দেশনা মোতাবেক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে সুশৃঙ্খল কর্মী বাহিনির সমন্বয়ে আদর্শভিক্তিক একটি সংগঠন গড়ে তোলা ও আদর্শিক পরিচর্যা অব্যাহত রাখা।
০২. বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন গর্বিত কর্মী হিসেবে দেশ ও জনগণের সেবা করার মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করানো।
.দীর্ঘ সময়ের শিক্ষার সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে একটি সহজলভ্য, বৈজ্ঞানিক, গণমুখী, বৃত্তিমূলক, কারিগরি, মাতৃভাষা ভিক্তিক সর্বজনীন শিক্ষানীতি প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়নের সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়া।
. নতুন নেতৃত্ব গঠনে সুবিধাভোগী বা অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থেকে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের গৌরব ও ঐতিহ্য সমুন্নত রাখা।
. বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তিন মূলনীতি ‘শিক্ষা, শান্তি ,প্রগতির’ বার্তা বহন করে সম্পূর্ণ ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত “ভিশন-৪১” বাস্তবায়নে রাজপথে সজাগ দৃষ্টি রেখে বিচক্ষণ ভূমিকা পালন।
. বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং বাঙ্গালির কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি ও সাফল্য অর্জনে নিজেকে সর্বাগ্রে নিয়োজিত রেখে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের ন্যায় স্বার্থহীন ভূমিকা পালন।
আমাদের পরিবারের আওয়ামী রাজনীতির ইতিবৃত্তিঃ
একটি একান্নবর্তী বৃহদায়তন পরিবারের আমার ১০জন জ্যাঠা ও চাচার মধ্যে।
০১. মোঃ আইনুল ইসলাম, আমার বাবা,
বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত। তিনি তার ছাত্র জীবনে সরাসরি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
০২. মরহুম নজরুল ইসলাম খোকন আমার বড়ো জ্যাঠা একজন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
০৩. মোঃ রফিকুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আমার আরেক জ্যাঠা সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ময়মনসিংহ শহর শাখা। সদস্য, ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগ।
০৪. মোঃ মনিরুল ইসলাম ভুট্টো, আমার সেজো চাচা
সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি,৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, ময়মনসিংহ শহর শাখা। বর্তমান সভাপতি,৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, ময়মনসিংহ শহর শাখা।
০৫. মোঃ আতিকুল ইসলাম রাসেল,আমার জ্যাঠাতো ভাই
সর্বশেষ আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের (আমোকসু) ছাত্র ও মিলনায়তন বিষয়ক সম্পাদক।
০৬. মোঃ আরিফুল ইসলাম লিটন, আমার জ্যাঠাতো ভাই
সাবেক আহ্বায়ক, আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগ। ও উপ-প্রচার সম্পাদক ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগ।
০৭. মোঃ আজহারুল ইসলাম রাহাত, আমার আরেক চাচাতো ভাই
সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগ।
০৮. মোঃ সোলায়মান রুবেল, আমার ফুফাতো ভাই , সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ময়মনসিংহ শহর শাখা। বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি,২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, ময়মনসিংহ শহর শাখা।
০৯. মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু, আমাদের পরিবারের সকলের অভিভাবক পাশাপাশি আমাদের পরিবারের সকল সদস্যদের মধ্যে তিনি একজন চির নিভৃতচারী, স্বার্থহীন নিবেদিত এবং সীমাহীন সাহসী আওয়ামীলীগার। যদিও তার (১৯৬৮ থেকে অদ্যাবধি) দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নূন্যতম কোন পদ অলংকৃত করেন নি তবুও ওনার রাজনৈতিক আদর্শ ত্যাগ ও ইতিবৃত্তি আমাদের পরিবারে আজোও অনুসরণীয়। ১৯৬৯রে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবুর রহমানের কারামুক্তি আন্দোলনে ”জেলের তালা ভাঙবো,শেখ মুজিবকে আনবো” এই শ্লোগান দিয়ে ময়মনসিংহের রাজপথে যে কজন ছাত্রলীগ কর্মী সম্মুখ থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম অগ্রনায়ক। কার্যত জ্যাঠা একজন সনদবিহীন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি ১১নং সেক্টরে কর্ণেল তাহেরের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় যুদ্ধপ্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের শাসনামলে দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ট্রাস্ট থেকে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের যে ৮ জন দুঃসময়ের নিবেদিত কর্মীকে ভাতা সুবিধা প্রদান করা হতো তিনি ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম।
১০. মরহুম জসিম উদ্দীন, আমার সেজো ফুঁপা বীর মুক্তিযোদ্ধা।
১১. মোঃ আবুল হোসেন, আমার ভগ্নীপতি সভাপতি, ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ময়মনসিংহ শহর শাখা।উল্লেখ্য, বিগত ২০০৩ সালে বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন নির্দেশে সেই কুক্ষাত এস পি কহিনুর কর্তৃক আমার পিতা সহ আমাদের পরিবারের সাতজনের নামে এক মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে তারা সকলেই কারা ভোগ করেন। সেই সাথে তদানীন্তন ময়মনসিংহে ঘটমান অপ্রীতিকর যে কোন বিষয়ের জন্য আমাদের পরিবারকে দায়ী করা হতো এবং বিভিন্ন হয়রানি ও মিথ্যা প্রহসন মূলক মামলার মাধ্যমে জেল জুলুম ও অত্যাচারের খড়গ নেমে আসতো।
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের অস্থায়ী কার্যালয় ও জেলা ছাত্রলীগের সামগ্রিক কার্যক্রম ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজ রোডস্থ আমার পৈতৃক নিবাস (বর্তমান মাহবুব ভিলা) হতে পরিচালিত হতো। আমি আমার পরিবারের ৩য় প্রজন্ম হয়েও আজ অত্যন্ত গর্বের সহিত এতটুকু বলতেই পারি- সর্বত্র ময়মনসিংহের সমগ্র লড়াই, সংগ্রাম,আন্দোলন,দাবি আদায় তথা ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের গর্বের ইতিহাসের কোন একটি পাতায় কটি লাইনে হলেও আমাদের পরিবারের নামটি লিপিবদ্ধ থাকবে।

আমার ছাত্র রাজনৈতিক জীবনে রাজপথের যৌক্তিক আন্দোলন,লড়াই, সংগ্রাম ও অর্জনসমূহঃ
০১. ২০১৪ সালের ৩১শে আগষ্ট ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত ঐতিহাসিক ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরাসরি উপস্থিতিতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শ্রেষ্ঠ সংগঠক (৩য়) হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
০২. ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজ তথা ময়মনসিংহ বিভাগের সর্বত্র সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান সকল রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূরীকরণে,মাদক ও ধূমপান মুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করণে ভূয়সি ভূমিকা রাখায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা (আসক) কর্তৃক বিশেষ সম্মাননা-২০১৭ ও পদক প্রাপ্তি।
০৩. ২০১৪ সাল থেকে অদ্যাবধি ময়মনসিংহ জেলার অধিনস্ত সকল সরকারি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাঠদান নিশ্চিতকল্পে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।উল্লেখ্য, আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ক্লাশ বন্ধের দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি নিরসন করে শতভাগ পাঠদানের (২০১৪ সাল থেকে অদ্যাবধি একদিনের জন্য‌ও শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি) ঐতিহ্য সৃষ্টিতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ নীতিগত ভূমিকা পালন করে।
০৪. ১৫ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে লন্ডনে বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজাকার ও পাকবন্ধু’ বলে আখ্যায়িত করায় ২২ ডিসেম্বর আমি বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে ১ নম্বর আমলি আদালতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছি। এবং আদালত তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
০৫. ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে বি এন পি জামাত জোটের সকল নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে রাজপথে থেকে সক্রিয় ভাবে ভূমিকা পালন করেছি।
০৬. ময়মনসিংহ জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিবির ও জঙ্গিবাদ মুক্ত করণে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ অঙ্গীকার গ্রহণ পূর্বক সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং এর‌ই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ২৮ই মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ময়মনসিংহ জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শিবির ও জঙ্গিবাদমুক্ত ঘোষণাকরে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ।
০৭. ১/১১’র ঘৃণ্য প্রেক্ষাপটের সময় আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ন্যায় আমিও প্রত্যক্ষভাবে আমার মেজো চাচা (তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ময়মনসিংহ শহর শাখার সভাপতি) তার নেতৃত্বে রাজপথে সক্রিয়ভাবে ভমিকা পালন করেছি।এবং ২৮ই অক্টোবর লগি বৌঠার আন্দোলনে ময়মনসিংহ গাঙ্গিনাপাড়স্থ ময়মনসিংহ আওয়ামিলীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে (বিএনপি জামাত,পুলিশের) সাথে আওয়ামী লীগের এক ত্রিমুখী সংঘর্ষে রাজপথের রনাঙ্গনে নিজেকে সর্বাত্মক সর্বাগ্রে নিয়োজিত রেখেছি এবং বিএনপি জামাত তথা পুলিশের আগ্রাসী নির্যাতন মেনে নিতে হয়েছে।

০৮. ২০১৪/১৫ সালে সম্পূর্ণ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাওয়া বিএনপি জামাতের আগুন সন্ত্রাসের অগ্নিউত্তাপ থেকে ময়মনসিংহের নিরীহ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ ময়মনসিংহের সর্বত্র অলিগলিতে সজাগ দৃষ্টি রেখে রাজপথে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে।
০৯. ২০১৬ সালে ১৭ই জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট,ধোবাউড়া এবং ময়মনসিংহ-৩ গৌরিপুর উপনির্বাচনে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্তৃক মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে রাজপথে মাঠে ময়দানে বিচক্ষণ ভূমিকা পালন করেছে এবং অবশেষে জয় নিয়েই ঘরে ফিরেছে।
১০. এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ময়মনসিংহের জনগনের কাছে দ্যি মাদার অব হিউমেনিটি ফটোগ্যালারি প্রদর্শণ, লিফলেট বিতরন ও বিভিন্ন মাধ্যমে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি।
১১. দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট হেলথ কার্ডের পরিকল্পনায় অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্য সেবা ডিজিটালজেশন করার লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি এবং কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রেখেছি।
১২. সাম্প্রতিক সময়ে তথাকথিত আত্নস্বীকৃত নামধারী কতিপয় মেধাবীরা ছদ্মবেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগ ও সহানুভূতিকে পুঁজি করে কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক চাই নামের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে দেশের পবিত্র রাজপথকে যারা কলুষিত ও রক্তাক্ত করার ঘৃণ্য পাঁয়তারা করেছে তাদের নীল নকশা অনুধাবন ও উপলব্ধি করে দেশের সামগ্রিক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে কারো নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ নিরাপদ সড়ক চাই ও কোটা সংস্কারপন্থীদের রাজপথে আশু নৈরাজ্য ঠেকাতে ময়মনসিংহের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাতীত) সর্বাত্মক সজাগ দৃষ্টি রেখেছে এবং ময়মনসিংহ পুলিশ প্রশাসনের সাথে একযোগে মাঠে থেকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছি।
আমি আমার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনে নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান বলে মনে করি,কারন আমাদের পরিবারের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আমি স্বাধীনতার মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন গর্বিত কর্মী হ‌ওয়ার কাঙ্ক্ষিত সুযোগটুকু পেয়েছি এবং ছাত্রলীগেই আমার রাজনীতির হাতে খড়ি।
আমার ছাত্র রাজনীতির পথপরিক্রমায় বিভিন্ন সময়ে আমাকে ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়েছে এবং দেশের স্বার্থে, দলের প্রয়োজনে দশের জন্য সর্বত্র আমি আত্মনিয়োগ করেছি এবং সবসময়ই নিত্য নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। সেইসব অম্লমধুর অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত শিক্ষা এবং পরিস্থিতি মোকাবেলা ও নিয়ন্ত্রণের দক্ষতাকে পুঁজি করে বিভিন্ন সময়ে পবিত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী বৃহদায়তন ইউনিট পরিচালনার অর্পিত মহান দায়িত্ব যথাসম্ভব নিজস্ব সততা,একাগ্রতা ও সত্যনিষ্ঠ হয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সাথে পালন করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি,অদ্যাবধি করে চলেছি।

জয় হোক প্রাণের নেত্রী বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার।

মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব
সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,ময়নসিংহ জেলা শাখা।

“তুমি আসবে না বলে
আমি রইবো’না বসে
, আমি চলবো বাহিরে …….. শুকনো গাছের ডালপালা’রা ……………………
আজ পড়িতেছে ঝড়ে…….!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *