সভাপতি, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ

ছাত্র রাজনীতির পথ পরিক্রমায় একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে তাঁর কি চাওয়ার থাকতে পারে!

ছাত্র রাজনীতির পথ পরিক্রমায় একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে তাঁর কি চাওয়ার থাকতে পারে!

ছাত্রলীগের একজন বিচক্ষণ কর্মী তাঁর অন্তরাত্মায় আজন্ম বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে লালন করে আর চেতনায় মহান মুক্তিযুদ্ধকে ধারন করে পিতা মুজিবের পরম রক্ত দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপর আস্থা রেখে রাজপথে ভ্যানগার্ডের দায়িত্ব পালন করে!

আর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন গর্বিত কর্মী হিসেবে আমি আমার চাওয়ার ব্যপ্তি আর পরিতৃপ্তির পরিধিটুকু বুঝাতে গিয়ে আমার স্বপ্নিল অনুভূতির কলমি উন্মেষ ঘটিয়েছিলাম-
বিশ্বাস করুনঃ
যাঁর নামে শ্লোগান তুলে উঠিলাম বেড়ে
কৃষ্ণচূড়ার ছায়া থেকে সংগ্রামী রাজপথে
অন্তরে আদর্শ পিতার আস্থা তাঁর পরম রক্তে
ঘুম নেই,নেই ঘুম নজরে চাক্ষুষ একবার তাঁরে
দু’নয়ন দেখিবার আশে…….

🖤

সত্যিইঃ
৪ঠা জুলাই বুধবার ২০১৮ সালের বর্ষণগর্ভ সন্ধ্যা রাতে গণভবনে আমি খুব সাধারণ একজন আমি ১৬ কোটি বাঙালির অনন্য আস্থার জাগ্রত প্রতীক কার্যত জাতির পরম বিশ্বাসী দৃষ্টান্তসম সেই মহিয়সির সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম! আমি স্বচক্ষে দেখেছিলাম কিন্তু সচকিত হ‌ই নি শুধুই ভেবেছিলাম
”যিনি খানিক ঘন্টা ব্যবধানে হারিয়েছিলেন তাঁর স্নেহময়ী মা,আদুরে পিতা অতিস্নেহে আচ্ছাদিত ছোট ভাইটা সহ ১৬ জন আত্মার পরিজন;
আমি শুধুই ভেবেছি সময় অনেক ভাগ্যের ফের বুঝি এরেই বলে ভাগ্য তাঁর ভাগে শুধু রেহেনা বোনটিই রেখেছিলো রক্তের ওয়ারিশে…. অযুত ক্রোশ দূরে দেখা হয়নি ১৬ স্বজনের লাশটাও কারো!
তবে হ্যাঁ আব্বার মুখে শুনেছিলাম অবশেষে তিনি কাছ থেকে তাদের কবরটা দেখেছিলেন বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বছর সাড়ে ছয় পরে!
ভাবনার ভাবনাগুলো বারেবার জানতে চেয়েছে তিনি কি মানুষ নাকি বিরল বিস্ময়ী কোন অতিমানবী?

আশ্চর্য হয়েছি তাঁর সহনশীলতা দেখে, অসীম শোককে অগ্রণী শক্তিতে পরিণত করার বিরল ক্ষমতা দেখে!
আর কেনইবা আশ্চর্য হবো না…
তাবত বিশ্বে এমন ক’জন মানুষ আছেন যারা এক‌ইদিনে তার সাজানো সংসারের সকল স্বজন হারাতে দেখেছেন? বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে এমন আর একজন নেতাও নেই যিনি তার হৃদয় গভীরে নিত্য অনুভূত পিতা পরিবার হারাবার দুঃসহ ক্ষতকে সঙ্গি করে দিশাহীন ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে দিয়ে বঞ্চিত জনতার চাতক চোখে নব স্বপ্নবুনে শেষতক বুভুক্ষু বাঙালির জাগ্রত হৃদয়ে এগিয়ে যাওয়ার আশা জাগিয়েছেন!
নেই হ্যাঁ নেই ২য় আর এক জন‌ও নেই
তিনিই বিশ্বে ১ম হয়তো তিনিই শেষ!

আজ সামনাসামনি মাত্র হাত কয়েকের দূরত্বে থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন গর্বিত কর্মী হিসেবে আমি আমার নেত্রীর সামনে আমার অনুভূতি ব্যক্ত করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলাম…..আর আমি আমার ছাত্র রাজনৈতিক জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তিস্বরূপ আমি তাঁহার প্রতিক্রিয়া জয় করেছিলাম!

অসামান্য নেতৃত্বগুণ সমৃদ্ধ বিশ্ব মানবতার মহিয়সি মা’কে দেখলাম!

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন গর্বিত কর্মী হিসেবে আমার আর কিইবা চাওয়ার বাকি থাকে!

যে নেত্রীর গল্প করি শ্লোগানে শ্লোগানে রাজপথে মিছিলে যার নেতৃত্বের গর্ব করি মিটিং সমাবেশে,যাকে পুঁজি করে যার উপর আস্থা রেখে আজো বাঙালি উন্নয়ন আর অগ্রগতির স্বপ্ন দেখে…. সত্যিই আজ স্বচক্ষে চাক্ষুষ দেখে এলাম তাঁরে!

আমার আর কিইবা চাইবার থাকে……

‘জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু’
জয়তু- বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা
জয়তু- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাগ্রত সারাবাংলা

ছাত্র রাজনীতির পথ পরিক্রমায় একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে তাঁর কি চাওয়ার থাকতে পারে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *