President of Bangladesh Students League at Mymensingh District Unit.

বিক্ষাত ব্যাক্তিদের উক্তি

বিখ্যাত ব্যাক্তিদের কিছু উক্তি। উক্তিগুলো একবার হলেও পড়া উচিত আপনার। হয়তো এই উক্তিগুলোর কোন একটি আপনার জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে দিতে পারে। আর দেরি না করে তাহলে চলুন পড়ে আসা যাক উক্তিগুলোঃ
(১) সাফল্যের ৩টি শর্তঃ
– অন্যের থেকে বেশী জানুন!
– অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন!
– অন্যের থেকে কম আশা করুন! —— উইলিয়াম শেক্সপিয়ার।
(২) আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায় ।— শেকসপীয়ার।
(৩) চন্দ্রের যা কলঙ্ক সেটা কেবল মুখের উপরে, তার জ্যোৎস্নায় কোনো দাগ পড়ে না। —— রবি ঠাকুর।
(৪) ”মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন, কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভুগিই অনুভব করতে পারে” — কাজী নজরুল ইসলাম।
(৫) বিশ্বাস করুন,আমি কবি হতে আসিনি,আমি নেতা হতে আসি নি-আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম,প্রেম পেতে এসেছিলাম-সে প্রেম পেলামনা বলে আমি এই প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে নীরব অভিমানে চির দিনের জন্য বিদায় নিলাম। —— কাজী নজরুল ইসলাম।
(৬) জীবন হলো পেন্সিলে আঁকা এক ছবির নাম, যার কোনো অংশ রাবার দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। —— জন ডব্লু গার্ডনার।
(৭) ছেলেরা ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে যে কখন সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলে তারা তা নিজেও জানেনা … মেয়েরা সত্যিকার ভালোবাসতে বাসতে যে কখন অভিনয় শুরু করে তারা তা নিজেও জানেনা ।—- সমরেশ মজুমদার ।
(৮) বিরক্তিকর কোনো মানুষ ফ্রড হতে পারে না । পৃথিবী তে ফ্রড মাত্র ই ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হয় । ——হুমায়ূন আহমেদ।
(৯) প্রেম হয় শুধু দেখা ও চোখের ভাল লাগা থেকে, রাগ থেকে প্রেম হয়, ঘৃণা থেকে প্রেম হয়, প্রেম হয় অপমান থেকে, এমনকি প্রেম হয় লজ্জা থেকেও। প্রেম আসলে লুকিয়ে আছে মানবসম্প্রদায়ের প্রতিটি ক্রোমসমে। একটু সুযোগ পেলেই সে জেগে উঠে। ——— হুমায়ূন আহমেদ।
(১০) একজন সুন্দর, আকর্ষণীয় রমণীর পাশে ২ ঘণ্টা বসে থাকুন, দেখবেন সময় উড়ে চলে গেছে!! এবার গ্রীষ্মের গরমের মাঝে রাস্তায় ২ মিনিট হাঁটুন, মনে হবে আপনি অনন্তকাল ধরে হাঁটছেন!! ——— আলবার্ট আইনস্টাইন।
(১১) আমি সবসময়ই পরীক্ষার বিরোধীতা করি। পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহকে মেরে ফেলে। শিক্ষার্থীর জীবনে কোন ভাবেই দুইটির বেশি পরীক্ষা দেওয়া উচিত নয়। আমি হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সেমিনার আয়োজন করতাম। শিক্ষার্থীরা যদি মনোযোগ দিয়ে শুনতো তা হলেই আমি তাদের ডিপ্লোমা দিয়ে দিতাম। ——-আইনস্টাইন।
(১২) দুর্ভাগ্যবান তারাই যাদের প্রকৃত বন্ধু নেই। ——-অ্যারিস্টটল।
(১৩) স্বপ্ন সেটা নয় , যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে সপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না ——— ডঃ এ.পি.জে.আব্দুল কালাম।
(১৪) আমি বিশ্বের সব ইহুদী মারতাম, কিন্তু কিছু ইহুদী বাঁচিয়ে রাখলাম যাতে পুরো বিশ্ব বুঝতে পারে যে কেন আমি তাদের মেরেছি” ——- হিটলার।
(১৫) যখন তুমি মারা যাবা তখন তোমার ব্যাংকে যে পরিমান টাকা থাকবে সেটা হল ওই টাকা যা তুমি তোমার প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত কাজ করে আয় করেছ….. ———- হিটলার।(১৬) ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তূ সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে |——- শেকসপীয়ার।
(১৭) মানুষ কে ঘৃনা করার অপরাধে অতীতে কাউকে কখনো মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়নি। কিন্তু মানুষ কে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হয়তো হবে !! ——— হুমায়ুন আহমেদ।
(১৮) পাখি উড়ে গেলেও পলক ফেলে যায় আর মানুষ চলে গেলে ফেলে রেখে যায় স্মৃতি । ——- হুমায়ূন আহমেদ।
(১৯) এই পৃথিবীতে প্রিয় মানুষগুলোকে ছাড়া বেঁচে থাকাটা কষ্টকর কিন্তু অসম্ভব কিছু নয়। কারো জন্য কারো জীবন থেমে থাকে না, জীবন তার মতই প্রবাহিত হবে। তাই যেটা ছিল না সেটা না পাওয়ায় থাক, সব পেয়ে গেলে জীবনটাও একঘেয়েমি হয়ে যায়। মনে রেখো পৃথিবীর সকল কষ্টই ক্ষণস্থায়ী।———-হুমায়ূন আহমেদ।
(২০) পৃথিবীতে আনন্দ এবং দুঃখ সব সময় থাকবে সমান সমান। বিজ্ঞানের ভাষায়-Conservation of আনন্দ। একজন কেউ চরম আনন্দ পেলে,অন্য জনকে চরম দুঃখ পেতে হবে।——- আজ হিমুর বিয়ে (হুমায়ূন আহমেদ)
(২১) “কাউকে প্রচন্ডভাবে ভালবাসার মধ্যে এক ধরনের দুর্বলতা আছে। নিজেকে তখন তুচ্ছ এবং সামান্য মনে হয়। এই ব্যাপারটা নিজেকে ছোট করে দেয়।”——-হুমায়ূন আহমেদ (তিথির নীল তোয়ালে)
(২২) “নিজের সার্টিফিকেট নিজেই দিও না।খেয়াল করে দেখ যে, সবাই তোমাকে কি ভাবে।তাদের কাছেই সার্টিফিকেট নাও।নিজের সমালোচনা করেই দেখ না,শুদ্ধ হওয়া কঠিন কিছু না।”———- হুমায়ূন আহমেদ।
(২৩) লাইফে কিছু ফিল্মি ব্যাপার থাকার উচিত ছিল। এই যেমন কাউকে খুব মিস করছি আর সে বুঝে গেল ব্যাপারটা! মুখে বলা লাগলো না… এটা আসলে খুব পেইনফুল। মিসও করছি আবার বলতেও ইচ্ছা হচ্ছে না !———- হুমায়ূন আহমেদ।
(২৪) মেয়েদের তৃতীয় নয়ন থাকে। এই নয়নে সে প্রেমে পড়া বিষয়টি চট করে বুঝে ফেলে। পুরুষের খারাপ দৃষ্টিও বুঝে। মুরুব্বি কোন মানুষ মা- মা বলেপিঠে হাত বুলাচ্ছে – সেই স্পর্শ থেকেও সে বুঝে ফেলে মা ডাকের অংশে ভেজাল কতটুকু আছে। ——-হুমায়ূন আহমেদ।
(২৫) ছেলে এবং মেয়ে বন্ধু হতে পারে, কিন্তু তারা অবশ্যই একে অপরের প্রেমে পড়বে। হয়ত খুবই অল্প সময়ের জন্য, অথবা ভুল সময়ে। কিংবা খুবই দেরিতে, আর না হয় সব সময়ের জন্য। তবে প্রেমে তারা পড়বেই…——- হুমায়ূন আহমেদ।
(২৬) যদি নাই বুঝতে পারি বেঁচে আছি তবে জীবনের কি মূল্য ? সব সময় নিজেকে বা অন্যকে আনন্দে রেখে দেখই না… বাহ্, জীবনটাতো মন্দ নয়———- হুমায়ূন আহমেদ।
(২৭) আমার হারিয়ে ফেলার কেউ নেই, কাজেই খুঁজে পাওয়ারও কেউ নেই, আমি মাঝে মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলি, আবার খুঁজে পাই !”———- হুমায়ুন আহমেদ.।
(২৮) “যে ভালোবাসা না চাইতে পাওয়া যায়, তার প্রতি কোনো মোহ থাকে না।”———- আমার ছেলেবেলা (হুমায়ূন আহমেদ)
(২৯) মানুষের পুরো জীবনটা হচ্ছে একটা সরল অংক ।যতই দিন যাচ্ছে,ততই আমরা তার সমাধানের দিকে যাচ্ছি ।——- হুমায়ূন আহমেদ ।
(৩০) মানুষ নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। সে চায় তাঁকে খুঁজে বের করুক।———- হুমায়ূন আহমেদ।
(৩১) পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই যা করলে জীবন ব্যার্থ হয়। জীবন এতই বড় ব্যাপার যে একে ব্যার্থ করা খুবই কঠিন…..”———- হুমায়ুন আহমেদ।
(৩২) “যদি আমার কাছে একটি গাছ কাটার জন্য ৮ ঘণ্টা সময় থাকে।। তাহলে আমি কুড়াল ধার করার জন্য ৭ঘণ্টা ব্যায় করব”———- আব্রাহাম লিঙ্কন!!
(৩৩) যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা সিংহের সাথে লড়াই করা কিভাবে শিখবে? যারা পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয়ে তার সন্তানকে ডোবায় নামতে দেন না, কিভাবে সে সন্তান আটলান্টিক পাড়ি দিবে?”———- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
(৩৪) ছেলেদের জন্য পৃথিবীতে সব চাইতে মূল্যবান হল মেয়েদের হাসি।———- হুমায়ূন আহমেদ।
(৩৫) গার্লফ্রেন্ড বিহীন তরুনের পৃথিবীতে বেঁচে থাকা, ঘাসবিহীন মাঠে গরুর পায়চারির মত…———- হুমায়ুন আহমেদ
(৩৬) তুমি হাসলে সবাই তোমার সাথে হাসবে, কিন্তু তুমি কাঁদলে কেউ তোমার সাথে কাঁদবে না। মানুষকে কাঁদতে হয় একা একা।———- হুমায়ূন আহমেদ।
(৩৭) বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছুই নেই। কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে। মন দিয়ে আমরা কখনো তা দেখি না। যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখনি শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়।”———- হুমায়ূন আহমেদ।
(৩৮) ভালবাসা কারো জন্য দীর্ঘ প্রক্রিয়া আবার কারো জন্য স্বল্প। কিন্তু কষ্ট দুটোতেই সমান।————- হুমায়ুন আহমেদ।
(৩৯) মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপেক্ষা নামের ব্যাপারটি খুব প্রয়োজন। অপেক্ষা হচ্ছে মানুষের বেঁচে থাকার টনিক…——- হুমায়ূন আহমেদ।
(৪০) “জন্ম ও মৃত্যু দুটোই আশ্চর্য রকমের। দুটো স্মৃতি একান্তই নিজের। কারন এ দুটো কারো সাথেই শেয়ার করা যায় না।”———- হুমায়ুন আহমেদ।
(৪১) যে রাগের সঙ্গে সামান্যতম হলেও ভালবাসা মেশান থাকে, সেই রাগ মেয়েদের রূপ বাড়িয়ে দেয়……———- হুমায়ূন আহমেদ।
(৪২) যে ভালবাসা যত গোপন, সেই ভালবাসা তত গভীর…———- হুমায়ুন আহমেদ।
(৪৩) বেফাঁস কথা বলার চেয়ে চুপ থাকাই শ্রেয়।———- জর্জ হাবার্ট।
(৪৪) শীতের কুয়াশার সে কোন অন্তিম পোচড়ের ফাঁকে-ফাঁকে বৃহস্পতি কালপুরুষ অভিজিৎ সিরিয়াস যেন লন্ঠন হাতে করে এখান থেকে সেখানে, সেখান থেকে এখানে কোন সুদূরযানের পথে চলেছে, কেমন একটা আশ্চর্য দূর পরলোকের নিক্কণ শোনা যায় যেন।——- জীবনানন্দ দাশ (মাল্যবান)
(৪৫) বিয়ে একটি জুয়া খেলা – পুরুষ বাজী রাখে স্বাধীনতা আর নারী বাজী রাখে সুখ।————- মাদ সোয়াজেন।
(৪৬) নিজেকে নিয়ন্ত্রণ কর তারপর অন্যকে অনুশাসন কর নিজে নিয়ন্ত্রিত হলে অন্যকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাই কঠিন …।———- গৌতম বুদ্ধ।
(৪৭) দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে, কিন্তু আনন্দের পুরোটা উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই তোমাকে তা কার সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে।———- মার্ক টোয়েন ।
(৪৮) যে পুরুষ একটি নারীকে বুঝতে পারে, সে পৃথিবীর যে কোন জিনিষ বুঝতে পারার গৌরব করতে পারে।———- জে. বি. ইয়েটস।
(৪৯) চালাকির দ্বারা কোন মহৎ কাজ হয় না !———- স্বামী বিবেকানন্দ।
(৫০) আলোতে একাকী হাটার চেয়ে বন্ধুকে নিয়ে অন্ধকারে হাটা উত্তম।———- হেলেন কিলার।
(৫১) যদি কোনো নারীর ফাসি হয়, ফাসিতে যাওয়ার আগেও সে তার প্রসাধন ঠিক করার জন্য সময় চাইবে । ———- চেমফোর্ড ।
(৫২) শিক্ষকের জীবনের থেকে চোর, চোরাচালানি, দারোগার জীবন অনেক আকর্ষণীয়। এ সমাজ শিক্ষক চায় না, চোর- চোরাচালানি- দারো গা চায়। ———- হুমায়ুন আজাদ।
(৫৩) ”তৃতীয় বিশ্বে রাজনীতি করুণ হিংস্র এক প্রহসন;কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে অভিনীত হয়ে থাকে এ রাষ্ট্রীয় রঙ্গ নাট্য!” ———- হুমায়ূন আজাদ।
(৫৪) দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম। ————- হুমায়ূন আজাদ।
(৫৫) নষ্টদের কোন দল নেই। এরা স্বার্থের জন্য সকল পরিচয়েই পরিচিত হতে চায় যা তাদের স্বার্থের অনুকূলে যায়। ———-নষ্ট আজাদ।
(৫৬) যখন তোমার পকেট ভর্তি টাকা থাকবে তখন শুধুমাত্র তুমি ভুলে যাবে যে ‘তুমি কে’; কিন্তু যখন তোমার পকেট ফাঁকা থাকবে তখন সমগ্র দুনিয়া ভুলে যাবে ‘তুমি কে!”———- বিল গেটস।
(৫৭) বিয়ে করার অর্থ হচ্ছে নিজের অধিকারকে অর্ধেক করে নেওয়া এবং কর্তব্যকে দ্বিগুণ করা।। ———- শুপেনহাওয়ার।
(৫৮) ভাগ্য সবার দুয়ারে আসার জন্যই অপেক্ষা করে, কিন্তু উপযাচক হয়ে আসে না,ডেকে আনতে হয়। ———–ইলা অলড্রিচ
(৫৯) তোমার দেশ তোমার জন্য কি করেছে তা জিজ্ঞেস করো না, নিজেকে জিজ্ঞেস করো তুমি তোমার দেশের জন্য কি করতে পেরেছো। ————জন অফ কেনেডি
(৬০) আগুন দিয়ে যেমন লোহা চেনা যায় তেমনি মেধা দিয়ে মানুষ চেনা যায় । ——– জন এ শেড
(৬১) সৎ লোক সাতবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নৃপাত হয়——-– হযরত সুলায়মান
(৬২) বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন । ——–– সক্রেটিস
(৬৩) যে সব দৃশ আমরা খুব মন লাগিয়ে দেখতে চাই সে সব দৃশ্য কখনো ভালভাবে দেখতে পারি না সেই সব দৃশ্য অতি দ্রুত চোখের সামনে দিয়ে চলে যায় । ———– রবার্ট ফ্রস্ট
(৬৪) “ সেই যথার্থ মানুষ যে জীবনের পরিবর্তন দেখেছে এবং পরিবর্তনের সাথে নিজেও পরিবর্তিত হয়েছে॥ ” ———– বায়রন।
(৬৫) “ অন্যকে বারবার ক্ষমা কর কিন্তু নিজেকে কখনোই ক্ষমা করিও না॥ ” ———– সাইরাস।
(৬৬) “ কান্নায় অনন্ত সুখ আছে তাইতো কাঁদতে এত ভালোবাসি॥ ” ———– স্বামী বিবেকানান্দ।
(৬৭) “ জ্ঞানের ন্যায় পবিত্র বস্তু জগতে আর কিছুই নেই॥ ” ———– গীতা।
(৬৮) “ যৌবন যার সৎ, সুন্দর ও কর্মময় তার বৃদ্ধ বয়সকে স্বর্ণযুগ বলা হয়॥ ” ——– জর্জ গ্রসভিল।
(৬৯) “ আমি চলে গেলে যদি কেউ না কাঁদে তবে আমার অস্তিত্বের কোন মূল্য নেই॥ ” ——– সুইফট।
(৭০) “ বন্ধুর সাথে এমন ব্যাবহার কর যেন বিচারকের শরণাপন্ন হতে না হয়॥ ” ———– প্লেটো।
(৭১) “ অসৎ ব্যক্তি সৎ ব্যক্তির কাজের মধ্যে কোন মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না॥ ” ———– জন বেকার।
(৭২) “ সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ॥ ” ———– হযরত আলী (রাঃ)।
(৭৩) “ আগুন দিয়ে যেমন লোহা চেনা যায় তেমনি মেধা দিয়ে মানুষ চেনা যায়॥ ” ——– জন এ শেড।
(৭৪) “ সময় বেশি লাগলেও ধৈর্য সহকারে কাজ কর, তাহলেই প্রতিষ্ঠা পাবে॥ ” ————– ডব্লিউ এস ল্যান্ডের।
(৭৫) “ একজন অলস মানুষ স্বভাবতই খারাপ মানুষ॥ ” ———– এস টি কোলরিজ।(৭৬) “ সাহস নিয়ে বেঁচে থাকো না হয় মরে যাও॥ ” ———– মেরিডিথ।
(৭৭) “ সৎ লোক সাতবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নৃপাত হয়॥ ” ———– হযরত সোলায়মান (আঃ)।
(৭৮) “ যদি তুমি কখনো অপমানিত বোধ কর তবে অপরকে সেটা বুঝতে দেবে না॥ ” ———– জন বেকার।
(৭৯) “ যে মন খুলে হাসতে পারে না, সেই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী॥ ” ———– জন লিলি।
(৮০) “ ভালোবাসার জন্য যার পতন হয় সে বিধাতার কাছে আকাশের তারার মত উজ্জ্বল॥ ”
(৮১) “ পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে কুঁড়ে ঘরে থাকাও ভালো, অতৃপ্তি নিয়ে বিরাট অট্টালিকায় থাকার কোন সার্থকতা নেই॥ ” ———– উলিয়ামস হেডস।
(৮২) “ প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন॥ ” ———– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
(৮৩) “ সেই সত্যিকারের মানুষ যে অন্যের দোষত্রুটি নিজেকে দিয়ে বিবেচনা করতে পারে॥ ” ——– লর্ড হ্যলি ফক্স।
(৮৪) “ সবার সাথে যে তাল মিলিয়ে কথা বলে সে ব্যক্তিত্বহীন॥ ” ——– মার্ক টোয়েন।
(৮৫) “ পুরুষের লক্ষ্য রাখা উচিত যত দিন বেশী তারা অবিবাহিত জীবনযাত্রা করতে পারে॥ ” ———– জর্জ বার্নাডস।
(৮৬) “ যে সহজ সরল জীবনযাপন করে সুখ তার জন্য অত্যন্ত সুলভ্য॥ ” ————– আলেকজান্ডার।
(৮৭) “ বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন॥ ” ———– সক্রেটিস।
(৮৮) “ যে সব দৃশ আমরা খুব মন লাগিয়ে দেখতে চাই সে সব দৃশ্য কখনো ভালভাবে দেখতে পারি না সেই সব দৃশ্য অতি দ্রুত চোখের সামনে দিয়ে চলে যায়॥ ” ———– রবার্ট ফ্রস্ট।
(৮৯) “ ভাগ্য বলে কিছুই নেই, প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে উঠে॥ ” ———– স্কট।
(৯০) “ বিদ্ধানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র॥ ” ———– আল হাদিস।(৯১) যে যে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে সে সেই বিষয়ে শিক্ষিত, কাজেই সবাই শিক্ষিত –- নেপোলিয়ান
(৯২) যে দৃষ্টির সঙ্গে মনের যোগাযোগ নেই সে তো দেখা নয়, তাকানো –- যাযাবর
(৯৩) চিন্তা কর বেশী, বল কম, লেখো তার চেয়েও কম –- জনরে
(৯৪) “ মাত্র দুটি পন্থায় সফল হওয়া যায়! একটি হচ্ছে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা, ঠিক যা তুমি করতে চাও। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে, সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া॥ ” —মারিও কুওমো।
(৯৫) “ ঝগড়া চরমে পৌঁছার আগেই ক্ষান্ত হও॥ ”-—হযরত সোলায়মান (আঃ)।
(৯৬) “ অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন॥ ” -—ডেল কার্নেগি।
(৯৭) “ হ্যাঁ এবং না কথা দুটো সবচেয়ে পুরনো এবং সবচেয়ে ছোট। কিন্তু এ কথা দুটো বলতেই সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয়॥ ” -—পীথাগোরাস।
(৯৮) “ তুমি যদি কোনো লোককে জানতে চাও, তা হলে তাকে প্রথমে ভালবাসতে শেখো॥ ” -—লেলিন।
(৯৯) “ একজন আহত ব্যক্তি তার যন্ত্রনা যত সহজে ভুলে যায়, একজন অপমানিত ব্যক্তি তত সহজে অপমান ভোলে না॥ ” -—জর্জ লিললো।
(১০০) “ বিশ্বাস জীবনকে গতিময়তা দান করে, আর অবিশ্বাস জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে॥ ” -—মিল্টন।
(১০১) “ আল্লাহর ভয় মানুষকে সকল ভয় হতে মুক্তি দেয়॥ ” -—ইবনে সিনা।
(১০২) “ স্বপ্নপূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়। তাই বলে, স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয়, তাকে সঙ্গে নিয়ে চলো। স্বপ্ন ছাড়া জীবন অর্থহীন॥ ” –—ব্রায়ান ডাইসন।
(১০৩) “ এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না। যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে॥ ” -—আইনস্টাইন।
(১০৪) “ নতুন দিনই নতুন চাহিদা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়॥ ” -—জন লিভেগেট।
(১০৫) “ যেখানে পরিশ্রম নেই সেখানে সাফল্যও নেই॥ ” –—উইলিয়াম ল্যাংলয়েড।(১০৬) “ সত্য একবার বলতে হয়; সত্য বারবার বললে মিথ্যার মতো শোনায়। মিথ্যা বারবার বলতে হয়; মিথ্যা বারবার বললে সত্য ৰলে মনে হয়॥ ” -—হুমায়ূন আজাদ।
(১০৭) “ যে নিজেকে অক্ষম ভাবে, তাকে কেউ সাহায্য করতে পারে না॥ ” –—জন এন্ডারসন।
(১০৮) “ চিন্তা কর বেশি, বল অল্প এবং লেখ তার চেয়েও কম॥ ” –—জন রে।
(১০৯) “ সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা এবং সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেয়া॥ ” –—থেলিস।
(১১০) “ যে নিজেকে দমন করতে পারে না সে নিজের জন্যেও বিপদজনক এবং অন্য সবার জন্যেও॥ ” –—থেলিস।
(১১১) “ সফলতা সুখের চাবিকাঠি নয় বরং সুখ হল সফলতার চাবিকাঠি। আপনার কাজকে যদি আপনি মনে প্রানে ভালবাসতে পারেন অর্থাৎ যদি আপনি নিজের কাজ নিয়ে সুখী হন তবে আপনি অবশ্যই সফল হবেন॥ ” -—Albert Schweitzer.
(১১২) “ আমি বলবনা আমি ১০০০ বার হেরেছি, আমি বলবো যে আমি হারার ১০০০ টি কারণ বের করেছি॥ ” –—টমাস আলভা এডিসন।
(১১৩) “ যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে॥ ” –—ফ্রান্সিস বেকন।
(১১৪) “ সত্যকে ভালবাস কিন্তু ভুলকে ক্ষমা কর॥ ” –—ভলতেয়ার।
(১১৫) “ আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেইস্বপ্নে আস্থা ছিল। আর আমি কাজটা ভালোবাসতাম। ফেসবুক বিফল হলেও আমার ভালোবাসাটা থাকত। জীবনে একটা স্বপ্ন থাকতে হয়, সেই স্বপ্নকে ভালোও বাসতে হয়॥ ” –—মার্ক জুকারবার্গ।
(১১৬) “ যে পরিশ্রমী সে অন্যের সহানুভূতির প্রত্যাশী নয়॥ ” –—এডমণ্ড বার্ক।
(১১৭) “ পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস; কিন্তু আপনি যদি ১ টি মাছকে তার গাছ বেয়ে উঠার সামর্থ্যের উপর বিচার করেন তাহলে সে সারা জীবন নিজেকে শুধু অপদার্থই ভেবে যাবে॥ ” –—আইনস্টাইন।
(১১৮) “ আমি ব্যর্থতা কে মেনে নিতে পারি কিন্তু আমি চেষ্টা না করাকে মেনে নিতে পারিনা॥ ” –—মাইকেল জর্ডান।
(১১৯) “ প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপদজনক; কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরো বেশী বিপদজনক॥ ” –—আব্রাহাম লিংকন।
(১২০) ‘‘ যারা আমাকে সাহায্য করতে মানা করে দিয়েছিল আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কারন তাদের ‘না’ এর জন্যই আজ আমি নিজের কাজ নিজে করতে শিখেছি॥ ’’ –—আইনস্টাইন।
(১২১) “ যারা বলে অসম্ভব, অসম্ভব তাদের দুয়ারেই বেশি হানা দেয়॥ ” –—জন সার্কল।
(১২২) “ আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে। পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুন্ঠিত হই॥ ” –—প্রমথ চৌধুরী।
(১২৩) “ তোমার বন্ধু হচ্ছে সে, যে তোমার সব খারাপ দিক জানে; তবুও তোমাকে পছন্দ করে॥ ” –—অ্যালবার্ট হুবার্ড।
(১২৪) “ স্কুলে যা শেখানো হয়, তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে; তাই হলো শিক্ষা॥ ” –—অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।
(১২৫) “ আমি আপনাকে কখনও ভালবাসতে না বলে যুদ্ধ করতে বলি। কারণ যুদ্ধে হয় আপনি বাঁচবেন না হয় মরবেন। কিন্তু ভালবাসাতে না পারবেন বাঁচতে; না মরতে॥ ”–—এডলফ হিটলার।
(১২৬) “ যারা কাপুরুষ তারাই ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকে, পুরুষ চায় নিজের শক্তির দিকে। তোমার বাহু, তোমার মাথা তোমাকে টেনে তুলবে, তোমার কপাল নয়॥ ” –—ডঃ লুৎফর রহমান।
(১২৭) “ বাঙালি সমালোচনা সহ্য করে না; নিজেকে কখনো সংশোধন করেনা। নিজের দোষত্রুটি সংশোধন না করে সেগুলোকে বাড়ানোকেই বাঙালি মনে করে সমালোচনার যথাযথ উত্তর॥ ” –—হুমায়ুন আজাদ।
(১২৮) “ কাল আমার পরীক্ষা। কিন্তু এটা আমার কাছে বিশেষ কোন ব্যাপারই না, কারন শুধুমাত্র পরীক্ষার খাতার কয়েকটা পাতাই আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারন করতে পারেনা॥ ” –—টমাস আলভা এডিসন।
(১২৯) “ সবাই অনেকদিন বাঁচতে চায়, কিন্তু কেউই বুড়ো হতে চায় না॥ ” –—জোনাথন সুইফট।
(১৩০) “ ছেলেদের মদ্ধে বন্ধুত্ব নষ্টের অন্যতম দুইটি কারণ- টাকা এবং মেয়ে। সব সময় এই দুইটি জিনিস বন্ধুত্ব থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করুন॥ ”
(১৩১) “ পৃথিবী জুড়ে প্রতিটি নরনারী এখন মনে করে তাদের জীবন ব্যর্থ, কেননা তারা অভিনেতা বা অভিনেত্রী হতে পারেনি॥ ” –—হুমায়ুন আজাদ।
(১৩২) “ তুমি যখন প্রেমে পড়বে তখন আর তোমার ঘুমাতে ইচ্ছে করবেনা; কারণ তখন তোমার বাস্তব জীবন স্বপ্নের চেয়ে আনন্দময় হবে॥ ” –—Dr. Seuss.
(১৩৩) “ একবার পরীক্ষায় কয়েকটা বিষয়ে আমি ফেল করেছিলাম কিন্তু আমার বন্ধু সব বিষয়েই পাশ করে। এখন সে মাইক্রোসফটের একজন ইঞ্জিনিয়ার আর আমি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা॥ ” –—বিল গেটস।
(১৩৪) “ টাকার বিনিময়ে শিক্ষা অর্জনের চেয়ে অশিক্ষিত থাকা ভাল॥ ” –—সক্রেটিস।
(১৩৫) “ জন্মদিনের উৎসব পালন করাটা বোকামি। জীবন থেকে একটা বছর ঝরে গেল, সে জন্যে অনুতাপ করাই উচিত॥ ” ——নরম্যান বি.হল।(১৩৬) “ আপনি যদি গরীব হয়ে জন্ম নেন তাহলে এটা আপনার দোষ নয়, কিন্তু যদি গরীব থেকেই মারা যান তবে সেটা আপনার দোষ॥ ” –—বিল গেটস।
(১৩৭) “ সুন্দর একটা মানুষ না খুঁজে, সুন্দর একটা মন খুঁজো, তাহলে ভালবাসার সফলতা আসবে॥ ”
(১৩৮) “ যে তোমাকে কষ্ট দেয় তাকে তুমি ভালবাসো। আর যে তোমাকে ভালবাসে তাকে তুমি কষ্ট দিওনা। কারণ পৃথিবীর কাছে হয়তো তুমি কিছুই নও, কিন্তু কারো কাছে হয়তোবা তুমিই তার পৃথিবী॥ ”
(১৩৯) চিন্তা কর বেশী, বল কম, লেখো তার চেয়েও কম – জনরে
(১৪০) অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মত ভাবে। —হজরত আলী (রাঃ)
(১৪১) যাহা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত। —উইলিয়াম সেক্সপিয়ার
(১৪২) নদীতে স্রোত আছে, তাই নদী বেগ বান। জীবনে দন্দ্ব আছে তাই জীবন বৈচিত্রময়। —টমাস মুর
(১৪৩) পূর্ণ অর্জন অপেক্ষায়, পাপ বর্জন করা শ্রেষঠতর। —-হজরত আলী (রাঃ)
(১৪৪) ধর্ম নিয়ে যারা কোন্দল করে, ধর্মের মর্ম তারা জানে না। —ডঃ মুহাম্মদ শহীদল্লাহ
(১৪৫) প্রতিদিন আমাদের এমনভাবে কাটানো উচিত, যেন আজ জীবনের শেষ দিন। —সেনেকা
(১৪৬) যদি সর্বোচ্চ আসন পেতে চাও, তাহলে নিম্নস্থান থেকে আরম্ভ কর। -সাইরাস
(১৪৭) নিয়তি তোমাকে যা দান করে’ তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দান তোমার স্ত্রী। —-পোপ
(১৪৮) তিনিই প্রকৃত সুখি, যিনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আশা করে না। —ভার্জিল
(১৪৯) জগতের সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলি এবং মুল্যবান জিনিসগুলি সবচেয়ে অকেজো। —রাসকিন
(১৫০) জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে কি পেলাম সেটাই বড় প্রশ্ন নয়, বরং কি করেছি সেটাই বড় প্রশ্ন। —কালাইল
(১৫১) প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ, কোনো মানুষের মঙ্গল আনতে পারে না। —নীহা রঞ্জন
(১৫২) সৎ পরামর্শের চেয়ে কোনো উপহার অধিক মূল্য নয়। —ইমার সন
(১৫৩) মানুষ যত গোপন পাপ করুক না কেন, তার শাস্থি সে প্রকাশ্যেই পায়। —বেল জনসন
(১৫৪) সব সমস্যার প্রতিকারই হচ্ছে ধৈর্য্য। —-হোয়াটলি
(১৫৫) পরবর্তী দিন কখনও সুখের নয়, বিগত দিনের চেয়ে। —মিলটন
(১৫৬) দুঃখ-কষ্ট নিয়েই মানুষের জীবন, কিন্তু দুঃখের পর সুখ আসবে, এটাই ধ্রুব সত্য। —-এডওয়ার্ড ইয়ং
(১৫৭) পতন অনেক ক্ষেত্রে সত্যকে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। —জনলিলি
(১৫৮) “ সে ব্যক্তি মুমিন নয় যে নিজে তৃপ্তি সহকারে আহার করে, অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে॥ ” –—আল হাদিস।
(১৫৮) অন্ধকারে একজন বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা আলোতে একা হাঁটার চেয়ে ভালো। —হেলেন কিলার
(১৫৯) অনেক কিছু ফিরে আসে, ফিরিয়ে আনা যায়, কিন্তু সময়কে ফিরিয়ে আনা যায় না । —- আবুল ফজল
(১৬০) অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায় । —শেক্সপিয়র
(১৬১) অর্থ যেখানে নাই ভালোবাসা সেখানে দুর্লভ ।—স্যার টমাস ব্রাউন
(১৬২) অসৎ আনন্দের চেয়ে পবিত্র বেদনা ভালো। —হোমার
(১৬৩) অসহায়কে অবজ্ঞা করা উচিত নয়, কারণ মানুষ মাত্রেই জীবনের কোন না কোন সময় অসহায়তার শিকার হবে ।—গোল্ড স্মিথ
(১৬৪) আইন ভাঙ্গার জন্যই তৈরী হয় ।— জন উইলসন।
(১৬৫) আমরা যতই অধ্যয়ন করি ততই আমাদের অজ্ঞানতাকে আবিষ্কার করি। —-শেলী
(১৬৬) আমার দোষ তুমি আমাকেই বল। —-ইমাম গাজ্জালী
(১৬৭) আমার বন্ধুর জন্যে সবচেয়ে বেশি যা করতে পারি তা হলে শুধু বন্ধু হয়ে থাকা। তাকে দেয়ার মতো কোন সম্পদ আমার নেই। সে যদি জানে যে আমি তাকে ভালবেসেই সুখী, সে আর কোন পুরস্কারই চাইবে না। এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব কি স্বর্গীয় নয়। —হেনরি ডেভিড থিওরো
(১৬৮) আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই। তারপর সেই মানুষকে ভয় পাই যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না। —শেখ সাদী
(১৬৯) আমি জানি না” বলতে শেখাই সবচেয়ে বড় শিক্ষা। —হিব্রু প্রবাদ
(১৭০) আমি তিনটি খবরের কাগজকে এক লক্ষ বেয়নেট অপেক্ষা বেশী ভয় করি —নেপোলিয়ান।(১৭১) আমি তোমাদের বলেছি যে তোমরা মিনিটের খেয়াল রাখো, তাহলে দেখবে ঘন্টাগুলো আপনা থেকেই নিজেদের খেয়াল রাখছে —চেষ্টারফিল্ড
(১৭২) আহ্, কী ভালোই না লাগে- পুরনো বন্ধুর হাত।— মেরি এঙলেবাইট
(১৭৩) উচ্চাশা যেখানে শেষ হয়, সেখান থেকেই শান্তির শুরু হয় — ইয়ং
(১৭৪) একজন ঘুমন্ত মানুষ আরেকজন ঘুমন্ত মানুষকে জাগাতে পারেনা। শেখ সাদী
(১৭৫) একজন বিশ্বস্ত বন্ধু দশ হাজার আত্মীয়ের সমান —-ইউরিপিদিস [গ্রীক নাট্যকার]
(১৭৬) একজন মহান ব্যক্তির মহত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে। — কার্লাইল
(১৭৭) একফোঁটা শিশিরেও বন্যা হতে পারে যদি গর্তটা হয় পিঁপড়ের। —ফারসি প্রবাদ
(১৭৮) একমাত্র সৎ ব্যক্তিরাই অন্যকে কঠোরভাবে তিরস্কার করতে পারে —জর্জ ম্যারাডিথ।
(১৭৯) কখনো কোন বন্ধুকে আঘাত করো না, এমনকি ঠাট্টা করেও না। — সিসেরো
(১৮০) কৃতজ্ঞ কুকুর অকৃতজ্ঞ মানুষ অপেক্ষা শ্রেয় —শেখ সাদী।
(১৮১) কথা-বার্তায় ক্রোধের পরিমান খাবারের লবনের মত হওয়া উচিত। পরিমিত হলে রুচিকর, অপরিমিত হলে ক্ষতিকর। —প্লেটো
(১৮২) কান্না চোখের একটি মহৎ ভাষা —রবার্ট হেরিক।
(১৮৩) কারো অতীত জেনোনা, বর্তমানকে জানো এবং সে জানাই যথার্থ । —এডিসন
(১৮৪) কিভাবে কথা বলতে হয় না জানলে অন্তত কিভাবে চুপ থাকতে হয় তা শিখে নাও। — অজানা
(১৮৫) কে আমাদের একশবার রসগোল্লা খাইয়েছিল তা আমরা ভুলে যাই। কিন্তু কে কবে একবার কান মুচড়ে দিয়েছিল তা মনে রাখি। —আবদুল্লাহ আবু সাঈদ
(১৮৬) কোন মানুষই অপ্রয়োজনীয় নয় যতোক্ষন তার একটিও বন্ধু আছে। —রবার্ট লুই স্টিভেন্স
(১৮৭) গরীব খোঁজে খাদ্য, আর ধনী খোঁজে ক্ষিধে। —হিন্দি প্রবাদ
(১৮৮) গোপন কথা তোমার গোলাম। ফাঁস করে দিলে তুমি তার গোলাম। আরবি প্রবাদ
(১৮৯) ছবি হল নীরব কবিতা। আর কবিতা হল নীরব ছবি যা কথা বলে। —সিমোনিডেস
(১৯০) ছেলেরা পাবার ভেতর দিয়ে মেয়েদের দেয়। আর মেয়েরা দেবার ভেতর দিয়ে ছেলেদের পায়। —অজানা(১৯১) জ্ঞানীলোকের কানটা বড় আর জিভটা ছোট হয়।— চীনা প্রবাদ
(১৯২) জন্মদিনে এত উল্লসিত হবার কিছু নেই। মনে রেখ, তুমি মৃত্যুর দিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলে। —অজানা
(১৯৩) জীবনকে এক পেয়ালা চায়ের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। যতই তৃপ্তির সাথে আমরা তা পান করি ততই দ্রুত তলার দিকে অগ্রসর হতে থাকি। — ক্রিনেট
(১৯৪) জীবনে যে অকৃতকার্য হয় নাই, সে কোনদিন সম্পদশালী হতে পারে না —সি. এইচ. স্পারজন।
(১৯৫) জীবনের প্রতিটি সিঁড়িতে পা রেখে ওপরে ওঠা উচিত। ডিঙ্গিয়ে উঠলে পড়ে যাবার সম্ভাবনা বেশি —হুইটিয়ার
(১৯৬) টাকার প্রশ্নে সকলেই এক ধর্মাবলম্বী ভলতেয়ার
(১৯৭) তিন ইঞ্চি লম্বা জিভ একজন সাতফিট মানুষকেও ধরাশায়ী করতে পারে —চীনা প্রবাদ
(১৯৮) দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে, কিন্তু আনন্দের পুরোটা উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই তোমাকে তা কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে — মার্ক টোয়েন
(১৯৯) দেশপ্রেমিকের রক্তই স্বাধীনতা বৃক্ষের বীজ স্বরূপ —টমাস ক্যাম্পবেল।
(২০০) ধৈর্যশীল ব্যক্তির ক্রোধ থেকে সাবধান —ড্রাইডেন
(২০১) নুড়ি হাজার বছর ঝরণায় ডুবে থেকেও রস পায় না —কাজী নজরুল ইসলাম
(২০২) নাস্তিক হচ্ছে নিজের প্রচারিত ধর্মের স্বঘোষিত নবী এবং তার নিজ ধর্মের একমাত্র উম্মাত —সূত্র:অজানা
(২০৩) নিচ লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য —হযরত আলী (রা)
(২০৪) নিয়তি তোমার আত্মীয় বেছে দেয়, আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু —জ্যাক দেলিল ১৭৩৮-১৮১৩], ফরাসী কবি
(২০৫) প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপদজনক, কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরো বেশী বিপদজনক — আব্রাহাম লিংকন।
(২০৬) পরের উপকার করা ভাল কিন্তু নিজেকে পথে বসিয়ে নয় —এডওয়ার্ড ইয়ং।
(২০৭) বই ভালো সঙ্গী। এর সঙ্গে কথা বলা যায়। বই সব উপদেশই দেয় কিন্তু কোন কাজ করতেই বাধ্য করে না —হেনরী ওয়ার্ড বিশার
(২০৮) বড় হতে হলে সর্ব প্রথম সময়ের মূল্য দিতে হবে —ডিকেন্স
(২০৯) বুদ্ধিহীনের সুখ্যাতি ও সম্পদ ভয়ংকর সম্পদ বিশেষ —ডেমোক্রিটাস।
(২১০) বন্ধু কি ? এক আত্মার দুইটি শরীর। —এরিস্টটল(২১১) বন্ধুত্ব একবার ছিঁড়ে গেলে পৃথিবীর সমস্ত সুতো দিয়েও রিপু করা যায় না। —কার্লাইল
(২১২) বন্ধুত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে। —উইড্রো উইলসন
(২১৩) বন্ধুদের মধ্যে সবকিছুতেই একতা থাকে । —প্লেটো
(২১৪) বুলেট ব্যতীত বিপ্লব হয় না — চে গুয়েভারা।
(২১৫) বিদ্রোহী মানে কাউকে না মানা নয়। যা বুঝিনা তা মাথা উঁচু করে বুঝি না বলা। —-কাজী নজরুল ইসলাম
(২১৬) বিধাতার নিকট আমার প্রার্থণা এই যে আমাকে তুমি বন্ধু দিও না, শত্রু দিও, যাতে আমি আমার ভূলগুলো ধরতে পারি। —জন ম্যাকি
(২১৭) বিশ্বাস জীবনকে গতিময়তা দান করে, আর অবিশ্বাস জীবনকে দুর্বিসহ করে তোলে —মিল্টন
(২১৮) ভবিষৎকে জানার জন্যই আমাদের অতীত জানা উচিত। —জন ল্যাক হন
(২১৯) ভাগ্য সবার দুয়ারে আসার জন্যই অপেক্ষা করে, কিন্তু উপযাচক হয়ে আসে না, ডেকে আনতে হয়। —ইলা অলড্রিচ
(২২০) ভীরুরা মরার আগে বারে বারে মরে। সাহসীরা মৃত্যুর স্বাদ একবারই গ্রহণ করে। —-শেক্সপীয়ার
(২২১) মা সকল ক্ষেত্রে সকল পরিবেশেই মা —লেডি বার্নার্ড।
(২২২) মানুষের পয়লা নাম্বার শত্রু হল সময় —সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
(২২৩) মানুষের সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষকই হল মহৎ ব্যক্তিদের আত্নজীবনী ও বাণী —ওরসন স্কোরার ফাউলার
(২২৪) মানুষের সর্বোচ্চ সাফল্য সবটুকু করতে পারায় নয়, সাধ্যমত করতে পারায়। — অজানা
(২২৫) যদি তুমি মানুষকে বিচার করতে যাও তাহলে ভালবাসার সময় পাবে না। —মাদার তেরেসা
(২২৬) যারা বন্ধুদের অপমান করে, বন্ধুদের অপমানিত হতে দেখে কাপুরুষের মতো নীরব থাকে তাদের সঙ্গে সংসর্গ করো না । —সিনেকা
(২২৭) যে ইচ্ছাপূর্বক বন্ধুকে ঠকায়, সে তার খোদাকেও ঠকাতে পারে । —লাভাটাব
(২২৮) যে একজনও শত্রু তৈরি করতে পারেনি সে কারো বন্ধু হতে পারে না। —আলফ্রেড টেনিস
(২২৯) যে দৃষ্টির সংগে মনের যোগাযোগ নাই-সে তো দেখা নয়, তাকানো —যাযাবর।
(২৩০) যে নদীর গভীরতা বেশি, তার বয়ে যাওয়ার শব্দ কম। —জন লিভগেট(২৩১) যে ন্যায়ের পক্ষে, সে সত্যের পক্ষে —রাহুল সাংকৃত্যায়ন।
(২৩২) যে নিজেকে অক্ষম ভাবে, তাকে কেউ সাহায্য করতে পারে না। —জন এন্ডারসন
(২৩৩) যে নিজেকে অক্ষম ভাবে, তাকে কেউ সাহায্য করতে পারে না। —জন এন্ডারসন
(২৩৪) যে নিজের মর্যাদা বোঝে না অন্যেও তার মর্যাদা দেয় না! —হযরত আলী (রাঃ)
(২৩৫) যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে । —ফ্রান্সিস বেকন
(২৩৬) যে মাথা নোয়াতে জানে, সে কখনো মাথা খোয়ায় না। —লাউতজে
(২৩৭) যে সৎ হয় নিন্দা তার কোন অনিষ্ট করতে পারে না! —শেখ সাদী
(২৩৮) যে সম্পদ কারো চোখে পড়ে না তা-ই মানুষকে সুখী ও ঈর্ষাতীত করে তোলে —বেকন।
(২৩৯) রাগকে শাসন না করলে রাগই সম্পূর্ণ মানুষটিকে শাসন করে। —সেফটিস বারী
(২৪০) শত্রু মরে গেলে আনন্দিত হবার কারন নেই। শত্রু সৃষ্টির কারনগুলো এখনও মরেনি। —ওল পিয়ার্ট
(২৪১) শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি —এরিস্টটল।
(২৪২) শিয়ালের মতো একশো বছর জীবন ধারণ করার চাইতে সিংহের মতো একদিন বাঁচাও ভাল । —টিপু সুলতান
(২৪৩) সৎ হতে হবে অথবা সৎ লোকের অনুসন্ধান করতে হবে। —ডেমিক্রিটাস
(২৪৪) সত্যকে ভালবাস, কিন্তু ভুলকে ক্ষমা কর। —ভলতেয়ার
(২৪৫) সব লোকের ঘাড়েই মাথা আছে, কিন্তু মস্তিষ্ক আছে কিনা সেটাই প্রশ্ন। —জুভেনাল
(২৪৬) সবচে’ জ্ঞানী ব্যক্তিটিও উত্তর জানেনা এমন হাজার প্রশ্ন করতে পারে শিশুরা । —জে এবট
(২৪৭) সময় চলে যায়না, আমরাই চলে যাই । —অস্টিন ডবসন
(২৪৮) সময় দ্রুত চলে যায়, এর সদ্ব্যবহার যারা করতে পারে, তারাই সফল ও সার্থক বলে পরিচিত হয় — বেকেন বাওয়ার
(২৪৯) সময়ের সমুদ্রে আছি,কিন্তু একমুহূর্ত সময় নেই —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(২৫০) সর্বোৎকৃষ্ট আয়না হলো একজন পুরনো বন্ধু । জর্জ হার্বাট(২৫১) হ্যাঁ’ এবং ‘না’ কথা দুটো সবচে’ পুরনো এবং সবচে’ ছোট । কিন্তু এ কথা দু’টো বলতেই সবচে’ বেশি ভাবতে হয়। — পীথাগোরাস
(২৫২) “ফুল ফুটুক নাই বা ফুটুক আজ বসন্ত” – সুভাষ মুখোপাধ্যায়।
(২৫৩) “শ্রম বিনা শ্রী হয় না” – উপনিষদ।
(২৫৪) “স্বর্গে দাসত্ব করার চেয়ে নরকে রাজত্ব করা অনেক ভাল” – জন মিল্টন।
(২৫৫) “কোন বিষয়ে প্রস্তাব করা সহজ, কিন্তু নির্বাহ করে ওঠা কঠিন” – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
(২৫৬) “বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
(২৫৭) “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার” – বাল গঙ্গাধর তিলক।
(২৫৮) “যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই, মিলিলেও মিলিতে পারে অমূল্য রতন” – ভারতচন্দ্র রায়।
(২৫৯) “কুসুম আপনার জন্য ফোটে না, পরের জন্য তোমার হৃদয় কুসুমটিকে প্রস্ফুটিত করিও” – বঙ্কিমচন্দ্র।
(২৬০) “ভুলিও না তোমার জন্ম মায়ের জন্য বলি প্রদত্ত” – স্বামী বিবেকানন্দ।
(২৬১) “সত্যের জন্য সব কিছুকে ত্যাগ করা চলে, কিন্তু কোন কিছুর জন্য সত্যকে বর্জন করা চলে না” – স্বামী বিবেকানন্দ।
(২৬২) “সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই” – চন্ডীদাস।
(২৬৩) “যেখানে বিজ্ঞান শেষ সেখানে দর্শন শুরু, যেখানে দর্শন শেষ সেখানে ধর্ম শুরু” – আইনস্টাইন।
(২৬৪) “মানুষের জীবনে শৈশব হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ” – রুশো।
(২৬৫) “সংগ্রামই জীবন, সংগ্রাম হীনতা মৃত্যু/গীতা পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলা ভাল/জগতে সর্বদাই দাতার আশ্রয় গ্রহন করো” – স্বামী বিবেকানন্দ।
(২৬৬) “শিক্ষা দানের কাজ বাগানের মালীর মত” – রুশো।
(২৬৭) “যা পাওয়া যায় না তার প্রতি আমাদের আগ্রহের সীমা থাকে না” – হুমায়ূন আহমেদ।
(২৬৮) “কান্নায় অনন্ত সুখ আছে তাইতো কাঁদতে এত ভালবাসি” – স্বামী বিব্বেকানন্দ।
(২৬৯) “অসৎ ব্যক্তি সৎ ব্যক্তির কাজের মধ্যে কোন মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না” – জন বেকার।
(২৭০) “সবার সাথে তাল মিলিয়ে যে কথা বলে সে ব্যাক্তিত্বহীন” – মার্ক টোয়াইন।(২৭১) “প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষন কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
(২৭২) “ভাগ্য বলে কিছুই নেই প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে ওঠে” – স্কট।
(২৭৩) “তুমি যদি কোন লোককে জানতে চাও, তাহলে তাকে প্রথমে ভালবাসতে শেখো” – লেলিন।
(২৭৪) “বিশ্বাস জীবনকে গতিময়তা দান করে, আর অবিশ্বাস জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে” – মিল্টন।
(২৭৫) “আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে। পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুন্ঠিত হই” – প্রমথ চৌধুরী।
(২৭৬) “যে যে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে সে সেই বিষয়ে শিক্ষিত, কাজে সবাই শিক্ষিত” – নেপোলিয়ান।
(২৭৭) “জ্ঞানের ন্যায় পবিত্র বস্তু জগতে আর কিছুই নেই” – পবিত্র গীতা।
(২৭৮) “সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ” – হযরত আলী (রাঃ)।
(২৭৯) “যে সহজ সরল জীবনযাপন করে সুখ তার জন্য অত্যন্ত সহজলভ্য” – আলেকজান্ডার।
(২৮০) “যদি তুমি কখনো অপমানিত বোধ কর তবে অপরকে সেটা বুঝতে দেবে না” – জন বেকার।
(২৮১) “এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের কর্মের জন্য ধংস হবে না। যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা, তাদের জন্যই পৃথিবী ধংস হবে” – আইনস্টাইন।
(২৮২) “নিজের বিপদের কথা শত্রুকে বলো না, সে মুখে দুঃখ প্রকাশ করবে আর অন্তরে উল্লাস বোধ করবে”
(২৮৩) “একটি ফুল দিয়ে কখনো মালা গাঁথা যায় না, তেমনি একটি ভাল কাজ করে জীবকে সুন্দর করা যায় না”
(২৮৪) যাকে শ্রদ্ধা করা যায় না, তাকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসাও যায় না – সুইফ্ট
(২৮৫) আইন মাকড়শার জালের মত, ক্ষুদ্র কেউ পরলে আটকে যায় বড়োরা ছিড়ে বেড়িয়ে আসে – সলোন
(২৮৬) ভীরুরা যখন নিরাপদ অবস্থানে থাকে তখনই অন্যকে শাসাতে সাহস পায় – গ্যাটে
(২৮৭) প্রয়োজন আইনের তোয়াক্কা করে না – বেন্জ্ঞামিন ফ্রাঙ্কলিন
(২৮৮) অর্থ মানুষকে পিশাচ করে তুলে, আবার অর্থই মানুষকে মহৎও করে তুলে – ক্যাম্বেল
(২৮৯) জীবন হচ্ছে মৃত্যুর ঘনিষ্ঠ সংগী – এস টি কোলরিজ
(২৯০) দুঃখ, ঘৃণা এবং ভয়কে হাসিমুখে বরণ করতে পারলে সংসারে শান্তি আসে – হাফিজ
(২৯১) বিনাশ্রমে অর্জিত সম্পদ দুঃখজনক পরিণতি ডেকে আনে – মহিউদ্দিন
(২৯২) কোন কাজে যার নিজস্ব পরিকল্পনা নেই, তার সাফল্য অনিশ্চিত – অলিবার গোল্ডস্মিথ।
…… হুমায়ুন আহমেদের কিছু উক্তি
(২৯৩) পৃথিবীতে আসার সময় প্রতিটি মানুষই একটি করে আলাদিনের প্রদীপ নিয়ে আসে…কিন্তু খুব কম মানুষই সেই প্রদীপ থেকে ঘুমন্ত দৈত্যকে জাগাতে পারে।
(২৯৪) এই পৃথিবীতে প্রায় সবাই, তার থেকে বিপরীত স্বভাবের মানুষের সাথে প্রেমে পড়ে।
(২৯৫) সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, কিন্ত তোমাকে এমন একজনকে খুজে নিতে হবে, যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য করতে পারবে।
(২৯৬) বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের ভিতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালবাসাও অসহায় হয়ে পড়ে।
(২৯৭) পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ সম্ভবত কষ্ট পাবার জন্যই জন্মায়। টাকা পয়সার কষ্ট নয়- মানসিক কষ্ট।
(২৯৮) কিছু কিছু মানুষ ভাগ্যকে নিজের হাতে গড়ে, আবার কারো কারো কাছে ভাগ্য আপনি এসে ধরা দেয়!
(২৯৯) কখনো কখনো তোমার মুখটা বন্ধ রাখতে হবে। গর্বিত মাথাটা নত করতে হবে এবং স্বীকার করে নিতে হবে যে তুমি ভুল। এর অর্থ তুমি পরাজিত নাও, এর অর্থ তুমি পরিণত এবং শেষ বেলায় জয়ের হাসিটা হাসার ন্য ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
(৩০০) ভদ্র ছেলেদের জন্য মেয়েদের মনে কখনও প্রেম জাগে না। যা জাগে সেটা হল সহানুভূতি|
(৩০১) চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে, ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে।
(৩০২) মানুষ শুধু যে মানুষের কাছ থেকে শিখবে তা না। পশু পাখির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
(৩০৩) যে একদিন পড়িয়েছে সে শিক্ষক । সারাজীবনই শিক্ষক। আবার যে একদিন চুরি করেছে সে কিন্তু সারাজীবনই চোর না, তাহলে পৃথিবীর সব মানুষই চোর হত।
(৩০৪) একজন মানুষকে সত্যিকারভাবে জানার উপায় হচ্ছে তার স্বপ্নটা জানা।
(৩০৫) বাবা-মা’র প্রথম সন্তান হচ্ছে চমৎকার একটি জীবন্ত খেলনা। এই খেলনার সবই ভালো। খেলনা যখন হাসে, বা-মা হাসে। খেলনা যখন কাঁদে বাবা-মা’র মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।
(৩০৬) লাজুক ধরনের মানুষ বেশীর ভাগ সময়ই মনের কথা বলতে পারেনা। মনের কথা হড়বড় করে বলতে পারে শুধু মাত্র পাগলরাই। পাগলরা মনে হয় সেই কারণেই সুখী।
(৩০৭) মেয়েরা গোছানো মানুষ পছন্দ করে না। মেয়েরা পছন্দ করে অগোছালো মানুষ।
(৩০৮) মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়।
(৩০৯) গভীর প্রেম মানুষকে পুতুল বানিয় দেয়। প্রেমিক প্রেমিকার হাতের পুতুল হন l কিংবা প্রেমিকা হয় প্রেমিকের পুতুল। দুজন এক সঙ্গে কখনো পুতুল হয় না। কে পুতুল হবে আর কে হবে সূত্রধর তা নির্ভর করে মানসিক ক্ষমতার উপর। মানসিক ক্ষমতা যার বেশী তার হাতেই পুতুলের সুতা।
(৩১০) কিছু কিছু পুরুষ আছে যারা রূপবতী তরুণীদের অগ্রাহ্য করে একধরনের আনন্দ পায়। সচরাচর এরা নিঃসঙ্গ ধরনের পুরুষ হয়, এবং নারী সঙ্গের জন্যে তীব্র বাসনা বুকে পুষে রাখে।
(৩১১) তুমি একটা খারাপ কাজ করেছো তার মানে তুমি একজন মানুষ, তুমি সেই খারাপ কাজটার জন্য অনুতপ্ত তার মানে তুমি একজন ভাল মানুষ।
(৩১২) সব মানুষের জীবনেই অপূর্ণতা থাকবে। অতি পরিপূর্ণ যে মানুষ তাকে জিজ্ঞেস করলে সে ও অতি দুঃখের সঙ্গে তার অপূর্ণতার কথা বলবে। অপূর্ণতা থাকে না শুধু বড় বড় সাধক ও মহা পুরুষদের|
(৩১৩) মানুষ খুবই স্বাধীন প্রাণী কিন্তু অদ্ভুত কারণে সে ভালবাসে শিকল পরে থাকতে।
(৩১৪) বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছুই নেই। কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে। মন দিয়ে আমরা কখনো তা দেখি না। যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখনি শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়।
(৩১৫) মিথ্যা হলো শয়তানের বিয়ের মন্ত্র। মিথ্যা বললেই শয়তানের বিয়ে হয়। বিয়ে হওয়া মানেই সন্তান-সন্ততি হওয়া। একটা মিথ্যার পর আরো অনেকগুলি মিথ্যা বলতে হয় এই কারণেই।পরের মিথ্যাগুলি শয়তানের সন্তান।
(৩১৬) ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল। বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালবাসা থাকে না।আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা ভালবাসাটা থাকে, শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।
(৩১৭) কেও কারও মত হতে পারে না। সবাই হয় তার নিজের মত। তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমার চাচার বা বাবার মত হতে পারবে না। সব মানুষই আলাদা।
(৩১৮) হাসিতে খুব সহজেই মানুষকে চেনা যায় ।সব মানুষ একই ভঙ্গিতে কাঁদে কিন্তু হাসার সময় একেক জন একেক রকম করে হাসে।
(৩১৯) বড় বোকামিগুলি বুদ্ধিমান মানুষরাই করে।
(৩২০) প্রেমে পড়া মানে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। তুমি যার প্রেমে পড়বে সে তোমার জগতের একটা বিরাট অংশ দখল করে নেবে। যদি কোনো কারণে সে তোমাকে ছেড়ে চলে যায় তবে সে তোমার জগতের ঐ বিরাট অংশটাও নিয়ে যাবে। তুমি হয়ে পড়বে শূণ্য জগতের বাসিন্দা।
(৩২১) বিপদ যখন আসে একটার পর একটা আসে। বিপদরা পাঁচ ভাইবোন। এদের মধ্যে খুব মিল। এই ভাইবোনরা কখনো একা কারো কাছে যায় না। প্রথম একজন যায়, তারপর তার অন্য ভাইবোনরা উপস্থিত হয়।
(৩২২) যে ভালোবাসা না চাইতে পাওয়া যায়, তার প্রতি কোনো মোহ থাকে না।
(৩২৩) দরিদ্র পুরুষদের প্রতি মেয়েদের একপ্রকার মায়া জন্মে যায়, আর এই মায়া থেকে জন্মায় ভালোবাসা।
(৩২৪) বিরক্তিকর কোনো মানুষ ফ্রড হতে পারে না । পৃথিবী তে ফ্রড মাত্র ই ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হয় ।
…… নেলসন ম্যান্ডেলার সেরা কিছু উক্তি
(৩২৫) আমার সফলতার ভিত্তিতে আমাকে বিচার করোনা, আমাকে বিচার কর আমার ব্যর্থতা এবং ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়ানোর ভিত্তিতে।
(৩২৬) আমি সাধু নই, তবে যদি সাধুকে এমন এক পাপী হিসেবে বিবেচনা কর, যে সৎ হবার জন্য তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাহলে আমি তাই।
(৩২৭) ঘৃণা মনকে অন্ধকার করে দেয়। কৌশলের পথ রুদ্ধ করে দেয়। নেতাদের ঘৃণা করা সাজে না।
(৩২৮) যদি কেউ ঘৃণা করতে শেখে তাহলে সে ভালবাসা শিখে নিতে পারে। ঘৃণা নয়, মানব হৃদয়ে স্বাভাবিকভাবে ভালবাসার জন্ম হয়।
(৩২৯) ঘৃণা নিয়ে কেউ জন্ম গ্রহণ করে না।
(৩৩০) সাহসী মানুষের শান্তির জন্য ক্ষমা করতে ভীত নয়।
(৩৩১) পৃথিবীতে প্রতিশোধ গ্রহণের মাধ্যমে আপনি যতটা অর্জন করতে পারবেন, তার চেয়ে ঢের বেশী অর্জন করতে পারবেন ক্ষমা প্রদর্শনের মাধ্যমে।
(৩৩২) যেখানে এক সময় থাকে বেদনার বসবাস, খেলাধুলা সেথায় করতে পারে আশাবাদের চাষ।
(৩৩৩) পেছন থেকে নেতৃত্ব দাও- আর সাথে অন্যদের বিশ্বাস দাও যে নেতার আছে সম্মুখসারিতে।
(৩৩৪) আমি বর্ণবাদকে ঘৃণা করি কারণ এটা একটা বর্বর বিষয়, তা সে কালো বা সাদা যে কোন মানুষের কাছ থেকে আসুক না কেন।
(৩৩৫) সবসময়, যতক্ষণ না কাজ সমাধা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত তা এক অসম্ভব বিষয় বলে মনে হয়।
(৩৩৬) যে কোন কিছুতে ভীত নয়; সে নয়, বরঞ্চ যে ভয়কে জয় করে সেই হচ্ছে প্রকৃত সাহসী।
(৩৩৭) সম্মান তাদের প্রাপ্য, যারা কখনো সত্যকে পরিত্যাগ করে না, এমনকি যখন পরিস্থিতি অন্ধকারচ্ছন্ন এবং বেদনাদায়ক।
(৩৩৮) কেবল শৃঙ্খলহীন হওয়া নয়, বরং স্বাধীন হওয়া মানে শ্রদ্ধা এবং অন্যের স্বাধীনতা বৃদ্ধির সাথে বসবাস।
(৩৩৯) শিক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যার মধ্যে দিয়ে পৃথিবীকে বদলে ফেলা যায়।
(৩৪০) বলা হয়ে থাকে যে সত্যিকার অর্থে কেউ একটি জাতিকে জানতে পারে না যতক্ষণ না কেউ একজন এর কারাগারে বন্দী থাকে।
(৩৪১) যখন একজন মানুষ বিবেচনা করা যে নিজ জাতি এবং স্বদেশের প্রতি সে তার দায়িত্ব পালন করেছে, তখন সে শান্তিতে মৃত্যু বরণ করতে পারে।
আইনস্টাইনের বিখ্যাত উক্তি
(৩৪২) দেখুন তারের টেলিগ্রাফ হলো একটা অনেক অনেক লম্বা বিড়ালের মতো। আপনি নিউ ইয়র্কে ওর লেজ ধরে টান দেবেন আর ও লস এঞ্জেলেসে মিউ মিউ করে উঠবে। আপনি কি এটা বুঝতে পেরেছেন? আর বেতারও ঠিক এইভাবেই কাজ করে। আপনি এইখানে বসে সিগনাল পাঠাচ্ছেন আর ওরা ওইখানে বসে সেটা গ্রহণ করছে। শুধু একমাত্র পার্থক্যটা হলো, এখানে কোন বিড়ালই নেই।
(৩৪৩) পুরুষ নারীদের বিয়ে করে এই আশায় যে তারা কখনো বদলাবে না। নারী পুরুষকে এই আশায় বিয়ে করে যে তারা বদলাবে। স্বভাবতই তারা দুজনেই হতাশ হয়।
(৩৪৪) যখন কোন কোন লোক সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে এক ঘণ্টা কাটায় তখন মনে হয় যেন এক মিনিট গেলো। কিন্তু সেই লোকটিকেই এক মিনিটের জন্যে গরম চুল্লির উপর বসিয়ে দিলে তার কাছে মনে হবে একঘণ্টারও বেশি সময় গেলো। এটিই আপেক্ষিক তত্ত্ব।
(৩৪৫) তত্ত্বগতভাবে, তত্ত্বীয় আর ব্যবহারিক দিকটা একই। কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে তারা এক নয়।
(৩৪৬) একটি টেবিল, চেয়ার, ফল ভরা পাত্র আর একটা বেহালা সুখী হওয়ার জন্য একটা মানুষের আর কী দরকার?
(৩৪৭) কল্পনা জ্ঞানের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
(৩৪৮) ঈশ্বরের আগে আমরা সবাই সমান বুদ্ধিমান এবং সমান নির্বোধ ছিলাম।
(৩৪৯) মানুষের প্রেমে পড়ার জন্যে মধ্যাকর্ষণ দায়ী নয়।
(৩৫০) ঘটনার সঙ্গে যদি তত্ত্ব না-মেলে তাহলে ঘটনাকে পাল্টাও।
(৩৫১) পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো আয়কর বোঝা।
(৩৫২) একমাত্র মূল্যবান জিনিস হলো প্রজ্ঞা।
(৩৫৩) আমি কখনোই ভবিষ্যত নিয়ে ভাবিনি, এটা যথেষ্ট দ্রুত চলে আসে।
(৩৫৪) অনেক সময় কেউ কেউ কিছু না পেয়েও সব কিছু দেয়।
(৩৫৫) যে কখনো ভূল করেনি সে কখনো নতুন কোন কিছুর চেষ্টাও করেনি।
(৩৫৬) সব কিছু যতোটা সম্ভব সরল করা উচিত, তবে একদম সরল নয়।
(৩৫৭) বিজ্ঞান খুব সুন্দর জিনিস যদি এর থেকে কাউকে উপার্জন করতে না হয়।
(৩৫৮) তোমার অংকের সমস্যা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করো না, আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমার সমস্যা আরও অনেক বেশি।
(৩৫৯) চিন্তাশক্তি করার ক্ষমতা থাকা মেধার শক্তি থেকেও বেশী প্রয়োজনীয়। মেধা সাধারণত সামান্য বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকে।
(৩৬০) আমি চিন্তা করেছি মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। আমার চিন্তাগুলো ৯৯ বারই ভুল হয়েছে তবে শততম বারে আমি সফল হয়েছি।
(৩৬১) সমস্ত কঠিন আর সমস্যার মাঝেই লুকিয়ে থাকে সেরা সুযোগটি।
(৩৬২) মহৎ ব্যক্তিরা সর্বদাই সংকীর্ণ-ব্যক্তিত্বের অধিকারী মানুষদের নিকট থেকে ভয়ানক বাধার সম্মুখীন হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি
(৩৬৩) পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূরত্ব কোনটি জানো? নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, উত্তরটা সঠিক নয়। সবচেয়ে বড় দূরত্ব হলো যখন আমি তোমার সামনে থাকি, কিন্তু তুমি জানো না যে আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।
(৩৬৪) ভালোবাসা হলো একমাত্র বাস্তবতা, এটি শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত নয়। এটি হলো একটি চিরন্তন সত্য যা যেই হৃদয়ে সৃষ্টি হয়, সেই হৃদয়ে থাকে।
(৩৬৫) আমি তোমাকে অসংখ্য ভাবে ভালবেসেছি, অসংখ্যবার ভালবেসেছি, এক জীবনের পর অন্য জীবনেও ভালবেসেছি, বছরের পর বছর, সর্বদা, সবসময়।
(৩৬৬) গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধু তেমনি একটি বিশেষ জাতের মানুষ।
(৩৬৭) কেউ বা মরে কথা বলে, আবার কেউ বা মরে কথা না বলে।
(৩৬৮) প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন।
(৩৬৯) অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তবে ঘৃণা তারে যেস তৃণসম দহে।
(৩৭০) ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা বিপদে আমি না যেন করি ভয়’
(৩৭১) সংসারেতে ঘটিতে ক্ষতি লভিলে শুধু বঞ্চনা নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়।
(৩৭২) মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।
(৩৭৩) যে খ্যাতির সম্বল অল্প তার সমারোহ যতই বেশি হয়, ততই তার দেউলে হওয়া দ্রুত ঘটে।
(৩৭৪) কী পাইনি তারই হিসাব মেলাতে মন মোর নহে রাজি।
(৩৭৫) যে মরিতে জানে সুখের অধিকার তাহারই। যে জয় করতে ভোগ করা তাহাকেই সাজে।
(৩৭৬) যে লোক পরের দুঃখকে কিছুই মনে করে না তাহার সুখের জন্য ভগবান ঘরের মধ্যে এত স্নেহের আয়োজন কেন রাখিবেন।
(৩৭৭) সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট।
(৩৭৮) হঠাৎ একদিন পূর্ণিমার রাত্রে জীবনে যখন জোয়ার আসে, তখন যে একটা বৃহৎ প্রতিজ্ঞা করিয়া বসে জীবনের সুদীর্ঘ ভাটার সময় সে প্রতিজ্ঞা রক্ষা করিতে তাহার সমস্ত প্রাণে টান পড়ে।
(৩৭৯) নারী দাসী বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে নারী রাণীও বটে।
(৩৮০) মনে যখন একটা প্রবল আনন্দ একটা বৃহৎ প্রেমের সঞ্চার হয় তখন মানুষ মনে করে, ‘আমি সব পারি’। তখন হঠাৎ আত্মবিসর্জনের ইচ্ছা বলবতী হইয়া ওঠে।
(৩৮১) সংসারের কোন কাজেই যে হতভাগ্যের ভুদ্ধি খেলে না, সে নিশ্চয়ই ভাল বই লিখিবে।
(৩৮২) যে ছেলে চাবামাত্রই পায়, চাবার পূর্বেই যার অভাব মোচন হতে থাকে; সে নিতান্ত দুর্ভাগা। ইচ্ছা দমন করতে না শিখে কেউ কোনকালে সুখী হতে পারেনা।
(৩৮৩) সামনে একটা পাথর পড়লে যে লোক ঘুরে না গিয়ে সেটা ডিঙ্গিয়ে পথ সংক্ষেপ করতে চায় – বিলম্ব তারই অদৃষ্টে আছে।
(৩৮৪) বিধাতা আমাদের বুদ্ধি দেনটি কিন্তু স্ত্রী দিয়েছেন, আর তোমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন; তেমনি সঙ্গে সঙ্গে নির্বোধ স্বামীগুলোকেও তোমাদের হাতে সমর্পণ করেছেন। – আমাদেরই জিত।
(৩৮৫) বিয়ে করলে মানুষকে মেনে নিতে হয়, তখন আর গড়ে নেবার ফাঁক পাওয়া যায় না।
(৩৮৬) লোকে ভুলে যায় দাম্পত্যটা একটা আর্ট, প্রতিদিন ওকে নতুন করে সৃষ্টি করা চাই।
(৩৮৭) সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে ভালবাসার স্বাদ থাকেনা – তরকারীতে লঙ্কামরিচের মত।
(৩৮৮) সাধারণত স্ত্রীজাতি কাঁচা আম, ঝাল লঙ্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে। যে দুর্ভাগ্য পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হইতে বঞ্চিত সে – যে কুশ্রী অথবা নির্ধন তাহা নহে; সে নিতান্ত নিরীহ।
(৩৮৯) যারে তুমি নিচে ফেল সে তোমাকে বাঁধিবে যে নিচে। পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।
(৩৯০) ‘কত বড়ো আমি’ কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি।
সম্পূর্ণ অ্যাপসটি কপি করা হয়েছে
by
এম.আর মাসুদ রানা
www.facebook.com/mrmasudr23

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *